সোহেল হাওলাদার, নির্বাহী সম্পাদক, ডেইলি পূর্বাচল:
আওয়ামী দুঃশাসনের চরম সময়ে শেখ হাসিনার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও দোসর হিসেবে পরিচিত এবং নানা কারণে সমালোচিত সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ছেলে আরশাদ আদনানকে নিয়ে বিনোদন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন তোলপাড় শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের পাচারকৃত ও অবৈধ অর্থ ব্যবহার করে এখনো সিনেমা নির্মাণ করে যাচ্ছেন তিনি। শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিজেকে রক্ষা করতে এবং পিঠ বাঁচাতে এখন নতুন কৌশল হিসেবে বিএনপির ছায়াতলে আশ্রয় নেওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন এই প্রভাবশালী প্রযোজক।
আওয়ামী দুঃশাসনের চরম সময়ে শেখ হাসিনার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও দোসর হিসেবে পরিচিত এবং নানা কারণে সমালোচিত সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ছেলে আরশাদ আদনানকে নিয়ে বিনোদন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন তোলপাড় শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের পাচারকৃত ও অবৈধ অর্থ ব্যবহার করে এখনো সিনেমা নির্মাণ করে যাচ্ছেন তিনি। শুধু তাই নয়, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিজেকে রক্ষা করতে এবং পিঠ বাঁচাতে এখন নতুন কৌশল হিসেবে বিএনপির ছায়াতলে আশ্রয় নেওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন এই প্রভাবশালী প্রযোজক।
বিনোদনের আড়ালে এস আলমের ‘কালো টাকা’?
অনুসন্ধানে জানা যায়, ফ্যাসিবাদের দোসর আরশাদ আদনান আওয়ামী লীগের টিকিটে পাবনা-৫ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন ফরমও তুলেছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির ছেলে হওয়ার সুবাদে চলচ্চিত্র পাড়ায় একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, বিগত সরকারের সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির হোতা এস আলম গ্রুপের অবৈধ ও লুণ্ঠিত টাকা আরশাদ আদনানের বিভিন্ন সিনেমা ও প্রজেক্টে খাটানো হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিনোদন জগতকে তিনি কালো টাকা সাদা করার নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছেন। সরকার পতনের পরও সেই অর্থের জোগান বন্ধ হয়নি এবং পর্দার আড়ালে থাকা সেই অবৈধ অর্থ দিয়েই একের পর এক বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি, যা নিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে চরম ক্ষোভ ও সমালোচনা বিরাজ করছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ফ্যাসিবাদের দোসর আরশাদ আদনান আওয়ামী লীগের টিকিটে পাবনা-৫ আসন থেকে নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন ফরমও তুলেছিলেন এবং রাষ্ট্রপতির ছেলে হওয়ার সুবাদে চলচ্চিত্র পাড়ায় একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করেছিলেন। বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, বিগত সরকারের সবচেয়ে বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির হোতা এস আলম গ্রুপের অবৈধ ও লুণ্ঠিত টাকা আরশাদ আদনানের বিভিন্ন সিনেমা ও প্রজেক্টে খাটানো হয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিনোদন জগতকে তিনি কালো টাকা সাদা করার নিরাপদ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেছেন। সরকার পতনের পরও সেই অর্থের জোগান বন্ধ হয়নি এবং পর্দার আড়ালে থাকা সেই অবৈধ অর্থ দিয়েই একের পর এক বড় বাজেটের সিনেমা নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি, যা নিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে চরম ক্ষোভ ও সমালোচনা বিরাজ করছে।
পিঠ বাঁচাতে বিএনপির ছায়াতলে যাওয়ার মরিয়া চেষ্টা
৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর চেনা পরিমণ্ডল থেকে ছিটকে পড়া আরশাদ আদনান এখন রাজনৈতিক ভোলবদলের খেলায় মেতেছেন। রাজনৈতিক ও আইনি পিটুনি থেকে বাঁচতে তিনি এখন বিএনপির দিকে ঝুঁকছেন। অতি সম্প্রতি তিনি বিএনপির প্রভাবশালী বলয়ের ছায়াতলে আসার জন্য দলটির সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রথম সারির শিল্পী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে গোপনে নানামুখী যোগাযোগ শুরু করেছেন। নিজেকে ‘নিরপরাধ’ প্রমাণ করতে এবং বিএনপির সুনজরে আসতে তিনি বিভিন্ন শিল্পীর মাধ্যমে লবিং চালাচ্ছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে।
৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর চেনা পরিমণ্ডল থেকে ছিটকে পড়া আরশাদ আদনান এখন রাজনৈতিক ভোলবদলের খেলায় মেতেছেন। রাজনৈতিক ও আইনি পিটুনি থেকে বাঁচতে তিনি এখন বিএনপির দিকে ঝুঁকছেন। অতি সম্প্রতি তিনি বিএনপির প্রভাবশালী বলয়ের ছায়াতলে আসার জন্য দলটির সাংস্কৃতিক অঙ্গনের প্রথম সারির শিল্পী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে গোপনে নানামুখী যোগাযোগ শুরু করেছেন। নিজেকে ‘নিরপরাধ’ প্রমাণ করতে এবং বিএনপির সুনজরে আসতে তিনি বিভিন্ন শিল্পীর মাধ্যমে লবিং চালাচ্ছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে।
চলচ্চিত্র পাড়ায় ক্ষোভ
ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগী একজন ব্যক্তির এভাবে ভোলবদল এবং লুণ্ঠিত অর্থ দিয়ে সিনেমা সচল রাখার বিষয়ে সাধারণ চলচ্চিত্র কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিল্পী জানান, যারা শেখ হাসিনার দুঃশাসনকে টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছে এবং দেশের মানুষের রক্তচোষা টাকা দিয়ে সিনেমা বানিয়ে আজ আবার ভোলবদল করতে চায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়।
ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগী একজন ব্যক্তির এভাবে ভোলবদল এবং লুণ্ঠিত অর্থ দিয়ে সিনেমা সচল রাখার বিষয়ে সাধারণ চলচ্চিত্র কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন শিল্পী জানান, যারা শেখ হাসিনার দুঃশাসনকে টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রেখেছে এবং দেশের মানুষের রক্তচোষা টাকা দিয়ে সিনেমা বানিয়ে আজ আবার ভোলবদল করতে চায়, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়।
এস আলমের অবৈধ টাকার উৎস এবং আরশাদ আদনানের এই রাজনৈতিক ডিগবাজির বিষয়ে আরও গভীর অনুসন্ধান চলছে। বিস্তারিত আসছে আগামী সংখ্যায়…


