দেশে ডাবল-ডেকার স্লিপার বাসের কোনো অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন না থাকলেও সিঙ্গেল-ডেকার হিসেবে নিবন্ধনের পর বডি পরিবর্তন করে তা মহাসড়কে চালানোর অভিযোগে ৪১টি বাসের রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। হাইকোর্টের এক রিট পিটিশনের নির্দেশনার আলোকে গঠিত তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ী তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
আইনজীবী মুহাম্মদ হুজ্জাতুল ইসলাম খানের করা এক রিটের প্রেক্ষিতে বিআরটিএর ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত এই স্বাধীন টেকনিক্যাল কমিটি প্রতিবেদনটি দাখিল করে। কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন বিআরটিএর পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিআরটিএ থেকে অদ্যাবধি কোনো ডাবল-ডেকার স্লিপার বাসের অনুমোদন বা রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়নি। তবে ডাটাবেজ পর্যালোচনায় ৮২৯টি সাধারণ ডাবল-ডেকার বাসের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য মিললেও স্লিপার বাসের কোনো বৈধতা নেই। কিছু মালিক সিঙ্গেল-ডেকার বাসের অনুমোদন নিয়ে পরবর্তীতে সেগুলোকে ডাবল-ডেকার স্লিপার বাসে রূপান্তর করায় বিআরটিএ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং ফিটনেস নবায়ন বন্ধ করে বাসগুলোর রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করছে। একইসঙ্গে সড়কে চলাচলরত এসব অননুমোদিত যানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পুলিশ বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।


