অন্যান্য

চোরদের সাথে দেখা করতে এসে ফেঁসে গেলেন দুজন, নেপথ্যে কী?

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া:দৈনিক পূর্বাচল

বগুড়ার ধুনটে ‘মাসুদ টেলিকম’-এ চুরির ঘটনার রহস্য দিন দিন ঘনীভূত হচ্ছে। এ ঘটনায় আগে গ্রেপ্তার হওয়া ৮ চোরের সঙ্গে থানায় দেখা করতে এসে সন্দেহজনক ঘোরাঘুরির অভিযোগে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নতুন করে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার দুলারামপুর গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মাদ মোস্তফা (৪০) এবং কেমতলী গ্রামের ধনু চৌধুরীর ছেলে বাবুল চৌধুরী (৪৮)।

চুরির ৩ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার ৯৪ ফোন

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি ধুনট উপজেলা সদরের ইছামতী ডিজিটাল কমপ্লেক্স মার্কেটের প্রথম তলায় ‘মাসুদ টেলিকম’ নামের একটি দোকানে বড় ধরনের চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দোকানের মালিক মাসুদ রানা বাদী হয়ে ধুনট থানায় একটি মামলা করেন।

অভিযান চালিয়ে ঘটনার মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরি হওয়া ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়, যেগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।

কেন গ্রেপ্তার হলেন মোস্তফা ও বাবুল?

পুলিশ জানিয়েছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে থানায় রিমান্ডে থাকা ওই ৮ চোরের সঙ্গে দেখা করতে আসেন মোস্তফা ও বাবুল। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় এবং মূল চোর চক্রের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তাদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আতিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার ৮ চোর বর্তমানে পুলিশ রিমান্ডে রয়েছে। নতুন করে গ্রেপ্তার দুবাই ও মোস্তফার সঙ্গে এই চক্রের যোগসূত্র রয়েছে কি না, সে বিষয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে।

About the author

নিজস্ব প্রতিবেদক

Leave a Comment