বিনোদন প্রতিবেদক: আগামী ৩ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। বি এইচ নিশান, খোরশেদ আলম খসরু ও কামাল মোহাম্মদ কিবরিয়া লিপুর সমন্বয়ে গঠিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ও নির্বাচনি তফশিল প্রকাশ করেছে। এবারের নির্বাচনে আরমান-মুক্তি এবং শিবা শানু-জয় চৌধুরী প্যানেলের পাশাপাশি ১১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।আসন্ন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ প্রক্রিয়াকরণ শেষে গত ১৮ জুন, বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা এবং নির্বাচনি তফশিল প্রকাশ করেছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।
বি এইচ নিশান, খোরশেদ আলম খসরু এবং কামাল মোহাম্মদ কিবরিয়া লিপুর সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি এই তফশিল চূড়ান্ত করে।
কমিটির তথ্য অনুযায়ী, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির মোট সদস্য সংখ্যা ৬১০ জন হলেও স্ক্রিনিং ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় স্থান পেয়েছেন ৫৭৩ জন। অর্থাৎ, আগামী নির্বাচনে এই ৫৭৩ জন ভোটারই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন।
ঘোষিত তফশিল অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি:
-
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ: ২০ জুন (শনিবার)
-
মনোনয়নপত্র দাখিল: ২২ জুন (সোমবার)
-
মনোনয়নপত্র বাছাই ও খসড়া তালিকা প্রকাশ: ২৩ জুন (মঙ্গলবার)
-
আপত্তি ও নিষ্পত্তি: ২৪ জুন (বুধবার)
-
প্রার্থিতা প্রত্যাহার: ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার)
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩ জুলাই বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) ১ নম্বর ফ্লোরে সকাল থেকে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে দ্বিমুখী। ইতোমধ্যে ঢাকাই চলচ্চিত্রের দুটি শক্তিশালী প্যানেল নির্বাচনি মাঠে নেমেছে। প্যানেল দুটি হলো—আরমান-মুক্তি পরিষদ এবং শিবা শানু-জয় চৌধুরী পরিষদ। এর বাইরে কোনো প্যানেল ছাড়াই সম্পূর্ণ একক উদ্যোগে নিজেদের প্রার্থিতা ঘোষণা করেছেন আরও ১১ জন শিল্পী। তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে লড়বেন।
তফশিল প্রকাশের পর থেকেই বিএফডিসি প্রাঙ্গণে নির্বাচনি আমেজ ও চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। প্যানেলভুক্ত প্রার্থীরা জোটবদ্ধভাবে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এককভাবে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছেন। জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ ভোটারদের কাছে গিয়ে নিজেদের নির্বাচনি ইশতেহার ও ভবিষ্যৎ ভাবনার কথা তুলে ধরে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রেখে এবং আচরণবিধি মেনে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।

