ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি | দৈনিক পূর্বাচল
প্রকাশিত: ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এমপি রুমিন ফারহানা ও সরাইল থানার ওসির বাকবিতণ্ডার ঘটনায় থানায় জিডি করেছে পুলিশ। বিস্তারিত পড়ুন দৈনিক পূর্বাচলে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য (এমপি) ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়ার মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ঘটনার সময় সংসদ সদস্যের সঙ্গে থানায় প্রবেশ করা ব্যক্তিদের একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে সরাইল থানায় এই জিডিটি করা হয়, যা শুক্রবার সন্ধ্যার পর জানাজানি হয়। জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে সরাইল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া জানান, ঘটনার দিন থানায় যারা এসেছিলেন তাদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় ও সংসদ সদস্যের কর্মী-সমর্থক সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক দিন ধরে সংসদ সদস্য ও ওসির মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। রুমিন ফারহানা ও তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) জাকির হোসেন একাধিকবার ফোন করলেও ওসি সাড়া দেননি বলে অভিযোগ করা হয়। এছাড়া সংসদ সদস্য নিজের জন্য নিরাপত্তা চেয়েও পাননি বলেও দাবি করেন তাঁর সমর্থকেরা।
এই পরিস্থিতিতে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সরাইল থানায় ওসির কক্ষে যান এমপি রুমিন ফারহানা। সেখানে অবস্থানকালে ওসির সঙ্গে তাঁর তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়। দুই পক্ষের কথোপকথনের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সরাইলজুড়ে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়।
ঘটনার বিষয়ে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা জানান, ওসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে আলোচনার জন্য এবং একটি লিখিত তালিকা নিয়ে তিনি থানায় গিয়েছিলেন। সেখানে অপরাধের তারিখ ও বিবরণ সম্বলিত দুই পাতার তালিকা জমা দেওয়া হলেও ওসি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি বলে এমপি দাবি করেন।
এদিকে, সংসদ সদস্যের পিএস জাকির হোসেন জানান, ওসির ভূমিকা ও সার্বিক বিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।


