দ্বিতীয় বার বিয়ের পিড়িতে বসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। কিন্তু ছেলের বিয়েতে উপস্থিত থাকতে পারছেন না প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এজন্য তিনি নিরাপত্তাকে দায়ী করেছেন। ইরান যুদ্ধের প্রভাব ট্রাম্পের ব্যক্তিগত জীবনেও পড়েছে।
প্রেসিডেট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের যুদ্ধের জেরে এখন তার নিরাপদ থাকা অত্যন্ত দরকার। এই নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে তিনি বড় ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের বিয়েতে উপস্থিত থাকতে পারছেন না। তবে না যাওয়া নিয়ে তিনি এখনো নিশ্চিত নন। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘ছেলে চাইছে যে আমি যাই। কিন্তু এখন আমার সামনে ইরান একটা বড় বিষয়।’ রসিকতার সুরে তিনি বলেন, ‘আমি যদি যাই, তা হলে সমালোচিত হবো, না গেলেও সমালোচিত হবো’। এই যুদ্ধকে ট্রাম্প ‘ব্যাড টাইমিং’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন।
ট্রাম্প জুনিয়র চলতি সপ্তাহান্তে বাহামার একটি ব্যক্তিগত দ্বীপে সমাজসেবী ও মডেল বেটিনা অ্যান্ডরসনকে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। বাহামা দ্বীপপুঞ্জ হলো ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত একটি স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র। অনুষ্ঠানটি খুবই সীমিত পরিসরে এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। কেবল ঘনিষ্ঠদেরকে বিয়েতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, প্রথমে হোয়াইট হাউজে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের চিন্তাভাবনা থাকলেও বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও যুদ্ধের কারণে সেই পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনা হয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলে নিরাপত্তাব্যবস্থা অত্যন্ত কঠোর হয়ে যেতো। সেই কারণে বর-কনে চেয়েছেন অনুষ্ঠানটি যতটা সম্ভব ব্যক্তিগত রাখতে। অতিথিদের অসুবিধা এবং বাড়তি রাজনৈতিক নজর এড়াতেও এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প জুনিয়রের এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে ভেনেসা ট্রাম্পের সঙ্গে প্রায় ১২ বছরের সংসার ছিল তার। তাদের পাঁচ সন্তানও রয়েছে। সমপ্রতি ভ্যানেসা ট্রাম্প প্রকাশ্যে জানান, তিনি স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত এবং চিকিত্সাধীন।

