বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন কোন এক সময় দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন করেছিলেন এবং হেডকোয়ার্টার্সের সামনের ফোয়ারার (ঝর্ণা) দুপাশে দুটি কাঠ বাদাম গাছ রোপন করেছিলেন। গাছগুলো ডালপালা সহ অনেক বড় হয়েছিল। ফেসিস্ট আমলের কুখ্যাত আইজি হাসান মাহমুদ খন্দকার ও শহীদুল হকের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বিসিএস ১৭ ব্যাচের রেজাউল করিম দীর্ঘকাল যাবত পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট এআইজি এ্যাডমিনের দায়িত্ব পালন করেন। রেজাউল করিম এআইজি এ্যাডমিন থাকাকালীন হাবিব, প্রলয় ও বিপ্লবের যোগসাজসে তৎকালীন আইজিকে বোঝাতে সক্ষম হোন যে, খালেদা জিয়ার কোন চিহ্ন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে রাখা যাবে না কারণ NCCOM ভবন উদ্বোধন করতে সেখ হাসিনা PHQ তে আসতেছেন।
উক্ত এআইজি বর্তমানে খোলস পাল্টানো জিআইজি অপারেশন্স রেজাউল করিম পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার চিহ্ন মুছে ফেলার জন্য খালেদা জিয়ার রোপনকৃত বিশাল আকারের বাদাম গাছ দুটি কেটে ফেলেন। গাছ কেটে তিনি দম্ভোক্তি করে বলতেন যে, তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সকে পবিত্র করেছেন।
ফেসিস্টের দোসর রেজাউল করিম ২৫ তম ব্যাচের কিছু অফিসারের পৃষ্ঠপোষকতা গ্রহণ করেছেন এবং তাদের উপর ভর করে খোলস পাল্টিয়েছেন। অনেক জুনিয়র ও সিনিয়র অফিসারের সঙ্গে তিনি দূর্ব্যাবহার করছেন। অন্যায় সুবিধা না দেওয়ায় তিনি জনৈক ট্রাফিক ইন্সপেক্টরের সঙ্গে মারাত্মক খারাপ আচরণ করেছেন।
তার বাবা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপিতি ছিল। সে Addl dIG (special crime) এ থাকাকালীন গুম, খুন ও জঙ্গি নাটকের বিষয়ে মন্ত্রী ও সচিবকে বিদেশে ও জাতিসংঘে প্রেরণের জন্য মিথ্যা রিপোর্ট তৈরী করে দিত। তার আমেরিকায় দুটি ফ্লাট আছে যেখানে তার স্ত্রী থাকে এবং দেশে বেশ কয়েকটি দামী ফ্লাট আছে। গাজীপুরে তার গ্রামে আওয়ামী আমলে সে এলাকায় ভূমিদস্যু হিসেবে পিরিচিত ছিল। বউকে বিদেশে রেখে সে দেশে বিভিন্ন মহিলার সাথে অবৈধ সম্পর্ক রাখত বলেও শোনা যায়।
এ্যাডিশনাল ডিআইজি পর্যন্ত তিনি সাবলীল পদোন্নতি পান। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এ্যাডিশনাল ডিআইজি লজিস্টিকস্ পদে দীর্ঘদিন যাবত দূর্নীতির কারণে তিনি পদোন্নতি বঞ্চিত হোন। অথচ এই দূর্নীতির কারণে পদোন্নতি বঞ্চনাকে খোলস পাল্টানো রাজনৈতিক রূপ দিচ্ছেন।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে তার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ এখনো তদন্তাধীন।

