দৈনিক পূর্বাচল।
বিনোদন ডেস্ক:
মুক্তির আগেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তুলল আল্লু অর্জুন ও পরিচালক অ্যাটলির নতুন সিনেমা ‘রাকা’। রিয়েল-টাইম মোশন-ক্যাপচার প্রযুক্তিতে এসেছে এই ঐতিহাসিক সাফল্য। বিস্তারিত পড়ুন দৈনিক পূর্বাচলে।
দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় সুপারস্টার ‘আইকন স্টার’ আল্লু অর্জুন এবং খ্যাতিমান ব্লকবাস্টার পরিচালক অ্যাটলি জুটির নতুন সিনেমা ‘রাকা’ মুক্তির আগেই গড়েছে এক অভাবনীয় বিশ্বরেকর্ড। চলচ্চিত্র প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে বহুপ্রতীক্ষিত এই মেগা প্রজেক্টটি।
সিনেমার ইতিহাসে সবচেয়ে জটিল ও সর্ববৃহৎ পরিসরে প্রযুক্তি ব্যবহারের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘রিয়েল-টাইমে সর্বাধিক মানুষের মোশন-ক্যাপচার’ ক্যাটাগরিতে এই বিশ্বরেকর্ড অর্জন করেছে ‘রাকা’ টিম।
চলচ্চিত্রটির মোশন-ক্যাপচারের একটি বিশেষ ও অভূতপূর্ব দৃশ্য ধারণের জন্য ৪ বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৭০ বছরের প্রবীণ—এমন মোট ৩৭ জন অভিনয়শিল্পীকে একই ফ্রেমে রিয়েল-টাইমে থ্রিডি প্রযুক্তি ও মোশন-ক্যাপচারের আওতায় আনা হয়। এই অসাধ্য সাধন করতে ব্যবহার করা হয়েছে ৯২টি বিশেষ অপটিক্যাল মোশন-ক্যাপচার ক্যামেরা, অ্যাডভান্সড ফেসিয়াল ট্র্যাকিং এবং বিশ্বমানের ভিএফএক্স ইকোসিস্টেম। ভিএফএক্স দলের এই যুগান্তকারী উদ্যোগই সিনেমাটির ঝুলিতে এনে দিয়েছে বিশ্বসেরার তকমা।
চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর এক জমকালো আয়োজনে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সিনিয়র অ্যাডজুডিকেটর স্বপ্নিল ডাংগরিকর অভিনেতা আল্লু অর্জুন ও পরিচালক অ্যাটলির হাতে এই অফিশিয়াল সার্টিফিকেট তুলে দেন।
এমন অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আল্লু অর্জুন বলেন, “আমরা অত্যন্ত গর্বিত। এই প্রযুক্তি ভারতীয় সিনেমাকে বিশ্ব দরবারে সম্পূর্ণ নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে গেল।” অন্যদিকে আবেগপ্লুত কণ্ঠে পরিচালক অ্যাটলি বলেন, “ছোটবেলায় গিনেস রেকর্ডসের কথা রূপকথার মতো শুনতাম। আজ নিজের সিনেমার জন্য সেই স্বীকৃতি পাওয়া সত্যিই স্বপ্নের মতো।”
সান পিকচার্সের ব্যানারে কালানিথি মারান প্রযোজিত এই মেগা বাজেটের চলচ্চিত্রে আল্লু অর্জুনের বিপরীতে স্ক্রিন শেয়ার করতে দেখা যাবে বলিউড ডিভা দীপিকা পাডুকোনকে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২০২৭ সালে বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বহুল আলোচিত এই সিনেমাটি।


