বিশ্বভ্রমণের নতুন দিগন্ত: ২০২৬ সালে পর্যটকদের শীর্ষ আকর্ষণ যেসব দেশ ও শহর (পূর্ণাঙ্গ ২০টি তালিকা)

অনলাইন ডেস্ক, দৈনিক পূর্বাচল

অনুবাদ ও পরিমার্জন: সোহেল হাওলাদার (সূত্র: বিবিসি)

আন্তর্জাতিক পর্যটন অঙ্গনে এখন বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। শুধু বিলাসবহুল ভ্রমণ নয়, বরং প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, টেকসই পর্যটন এবং স্থানীয় অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার বিষয়গুলো এখন বিশ্বজুড়ে গুরুত্ব পাচ্ছে। এই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যম বিবিসি (BBC) প্রকাশ করেছে ২০২৬ সালের জন্য সেরা গন্তব্যের তালিকা।

দৈনিক পূর্বাচলের পাঠকদের জন্য মূল নিবন্ধে থাকা গন্তব্যগুলো এবং বিবিসির চূড়ান্ত তালিকার বাকি গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ পূর্ণাঙ্গ ২০টি গন্তব্যের বিস্তারিত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:

১. আবু ধাবি (সংযুক্ত আরব আমিরাত): মেগা প্রজেক্ট ও সংস্কৃতির নতুন রাজধানী

বহু বছরের ধারাবাহিক উন্নয়নের পর আবু ধাবির ‘সাদিয়াত কালচারাল ডিস্ট্রিক্ট’ এখন তার সবচেয়ে আকর্ষণীয় ধাপে প্রবেশ করেছে। এখানে সম্প্রতি চালু হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল আর্ট মিউজিয়াম ‘টিমক্ল্যাব ফেনোমেনা’ এবং দেশটির তেল-পরবর্তী সমৃদ্ধির আগের ইতিহাস তুলে ধরা ‘জায়েদ ন্যাশনাল মিউজিয়াম’। এছাড়াও ২০২৬ সালের শেষের দিকে এখানে চালু হতে যাচ্ছে আধুনিক ও সমসাময়িক শিল্পের অন্যতম বৃহত্তম গ্যালারি ‘গুগেনহাইম আবু ধাবি’। পাশাপাশি বিনোদনপ্রেমীদের জন্য ইয়াস আইল্যান্ডে হ্যারি পটার থিম পার্ক এবং ডিজনিল্যান্ডের মতো মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। (তবে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ভ্রমণের আগে সরকারি ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে)

২. আলজেরিয়া: প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ আর সাহারার হাতছানি

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য আলজেরিয়াকে বলা চলে আফ্রিকান পর্যটনের এক ‘ঘুমন্ত রাজকন্যা’। দেশটির জটিল ভিসা প্রক্রিয়ার কারণে এতদিন পর্যটকরা মুখ ফিরিয়ে রাখলেও, ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে ১২ মিলিয়ন আন্তর্জাতিক পর্যটক টানার লক্ষ্য নিয়ে বড় বড় পদক্ষেপ নিচ্ছে দেশটি। বর্তমানে সেখানে ‘ভিসা-অন-অ্যারাইভাল’ সুবিধা চালু করা হয়েছে। রাজধানী আলজিয়ার্স ছাড়াও ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তালিকাভুক্ত প্রাচীন রোমান ধ্বংসাবশেষসমৃদ্ধ শহর ‘টিমগাদ’ ও ‘জেমিলিয়া’ এবং সাহারা মরুভূমির অফুরন্ত সৌন্দর্যে ঘেরা মরূদ্যান শহর ‘জানত’ ২০২৬ সালে পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

৩. ইশিকাওয়া (জাপান): ভূমিকম্পের ক্ষত কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই

২০২৪ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের বড় ধাক্কা কাটিয়ে ইশিকাওয়া এখন পুনর্গঠনের মাধ্যমে পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। টোকিও থেকে বুলেট ট্রেনে মাত্র আড়াই ঘণ্টার দূরত্বের এই অঞ্চলটির অর্থনীতি সচল করতে স্থানীয় নেতারা পর্যটকদের আবার আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। এখানকার ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প, কাঠের কাজ, স্বর্ণের পাতার (Gold-leaf) কারখানায় হাতের কাজ শেখা এবং বিশ্বমানের ঐতিহ্যবাহী জাপানি পানীয়র (Sake) স্বাদ নেওয়ার অভিজ্ঞতা পর্যটকদের জন্য এক অনন্য অনুভূতি তৈরি করে।

৪. ওলু (ফিনল্যান্ড): উত্তর মেরুর সাংস্কৃতিক রাজধানী

আর্কটিক সার্কেলের ঠিক নিচে অবস্থিত শান্ত ও সুন্দর ওলু শহরটি ২০২৬ সালের জন্য ইউরোপের অফিসিয়াল ‘সাংস্কৃতিক রাজধানী’ (Capital of Culture) নির্বাচিত হয়েছে। বছরজুড়ে এই শহরে পপ-আপ পারফরম্যান্স, আর্ট ইনস্টলেশন এবং জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিভিন্ন প্রদর্শনী চলবে। এছাড়া এখানকার জনপ্রিয় ‘আর্কটিক ফুড ল্যাব’-এ উত্তর মেরুর চরম আবহাওয়া ও মাটিতে উৎপাদিত বিশেষ খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি ফিনিশ সাউনা সংস্কৃতির আসল রূপ উপভোগ করা যাবে।

৫. সামবুরু (কেনিয়া): কোলাহলমুক্ত সাফারি ও মহাকাশ পর্যটন

মাসাই মারার চিরচেনা ভিড় এড়িয়ে যারা একদম শান্ত পরিবেশে বন্যপ্রাণী দেখতে চান, তাদের জন্য কেনিয়ার সামবুরু এখন সেরা পছন্দ। ২০২৬ সালে এখানে পরিবেশবান্ধব নতুন নতুন ইকো-লজ চালুর পাশাপাশি নতুন করে যুক্ত হয়েছে ‘অ্যাস্ট্রোট্যুরিজম’ (Astrotourism) বা মহাকাশ পর্যটন। পর্যটকরা এখানে বিরল প্রজাতির আফ্রিকান বন্যপ্রাণী দেখার পাশাপাশি আদিবাসী গাইডদের সহায়তায় ইকুয়েটোরিয়াল বা বিষুবীয় অঞ্চলের খোলা আকাশের নিচে তারা দেখার ও ঘুমানোর এক অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন।

৬. কোস্টা রিকা: বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতির এক পরম স্বর্গরাজ্য

সারা বিশ্বের মধ্যে বন্যপ্রাণীর অন্যতম বড় হটস্পট হলো সেন্ট্রাল Америки এই দেশ কোস্টা রিকা। দেশটির ‘ওসা পেনিনসুলা’ একাই পৃথিবীর মোট স্থলজ জীববৈচিত্র্যের ২.৫ শতাংশ ধারণ করে। ২০২৬ সালে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষার আন্দোলনকে আরও জোরদার করতে সেখানে সুরক্ষিত অঞ্চলের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। নতুন সৌরবিদ্যুৎ চালিত ইকো-লজ এবং সমুদ্রের কচ্ছপ ও হাঙ্গর রক্ষার বিশেষ প্রজেক্টে পর্যটকরা সরাসরি অংশ নিতে পারবেন।

৭. কোলচাগুয়া ভ্যালি (চিলি): পর্বত, ওয়াইন আর তারার মেলা

চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো থেকে দুই ঘণ্টার দূরত্বের এই উপত্যকাটি আন্দিজ পর্বতমালা থেকে শুরু করে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। ২০২৬ সালে চিলির এই ঐতিহ্যবাহী ‘ওয়াইন রুট’-এর ৩০ বছর পূর্তি উদযাপিত হতে যাচ্ছে। পাহাড়ের ঢালে আধুনিক ভিলা, চমৎকার হাইকিং ট্রেইল এবং ‘সেরো চামান অবজারভেটরি’ থেকে পরিষ্কার আকাশে তারা দেখার চমৎকার সুযোগ থাকায় রোমাঞ্চপ্রিয়দের তালিকায় এটি ওপরের দিকে রয়েছে।

৮. কুক আইল্যান্ডস: দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের অনাবিষ্কৃত স্বর্গ

ফিজি বা তাহিতির মতো বাণিজ্যিক ভিড় এখানে নেই। পলিনেশিয়ান সংস্কৃতির এই দ্বীপপুঞ্জে ২০২৬ সালে সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ‘মারায়ে মোয়ানা’ মেরিন পার্ক এবং আইতুটাকি লেগুনের সুরক্ষায় গভীর সমুদ্রে খনি খনন গবেষণা ২০৩২ সাল পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। ২০২৬ সালের মে মাস থেকে সরাসরি নতুন ফ্লাইট চালু হওয়ায় এখানে যাতায়াত এখন অনেক সহজ।

৯. হেব্রাইডস (স্কটল্যান্ড): প্রাচীন পাথর ও ঐতিহাসিক হুইস্কি

স্কটল্যান্ডের আটলান্টিক উপকূলে অবস্থিত এই দ্বীপপুঞ্জটি তার প্রাচীন ইতিহাসের জন্য বিখ্যাত। ২০২৬ সালে এখানে স্টোনহেঞ্জের চেয়েও প্রাচীন ৫,০০০ বছরের পুরনো ‘ক্যালানাইস স্ট্যান্ডিং স্টোনস’-এর জন্য নতুন ভিজিটর সেন্টার চালু হচ্ছে। এছাড়া বিশ্বখ্যাত স্কচ হুইস্কির জন্য পরিচিত এই দ্বীপে ২০২৬ সালে আরও দুটি নতুন ডিস্টিলারি যুক্ত হচ্ছে, যা হুইস্কিপ্রেমীদের জন্য বড় আকর্ষণ।

১০. কমোডো দ্বীপপুঞ্জ (ইন্দোনেশিয়া): প্রাগৈতিহাসিক ড্রাগন রক্ষা

বিশ্বের বৃহত্তম টিকটিকি প্রজাতি ‘কমোডো ড্রাগন’-এর একমাত্র প্রাকৃতিক আবাসস্থল এটি। ২০২৬ সালে এই ন্যাশনাল পার্কের ৪৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে নতুন পরিবেশ সংরক্ষণ কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে। প্রবাল প্রাচীর রক্ষা এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নে পর্যটকদের জন্য বিশেষ পারমিট ও রেঞ্জার-গাইডেড ট্র্যাকিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

১১. লরেটো (বহা ক্যালিফোর্নিয়া সুর, মেক্সিকো): সামুদ্রিক বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আশ্রয়

লরেটো বে ন্যাশনাল পার্কের ৩০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ২০২৬ সালে এখানে ‘নোপোলো’ এবং ‘লরেটো ২’ নামে আরও দুটি নতুন ন্যাশনাল পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। এই মরুভূমি ও ম্যানগ্রোভ অঞ্চলের সাগরে নীল তিমি ও সামুদ্রিক কচ্ছপের বিচরণ দেখার পাশাপাশি পর্যটকরা সরাসরি তিমি গণনা ও উপকূল পরিচ্ছন্নতার মতো নাগরিক বিজ্ঞান কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন।

1২. মন্টিনিগ্রো: ইউরোপের নতুন প্রাকৃতিক বিস্ময়

ইউরোপের অন্যতম তরুণ রাষ্ট্র মন্টিনিগ্রো ২০২৬ সালে তার ২০তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উদযাপন করছে। অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের তীরে অবস্থিত কোটর উপসাগরের মনোরম দৃশ্য এবং এর দুর্ভেদ্য ‘প্রোকলেতিজে’ পর্বতমালা ২০২৬ সালে ট্রেকিংপ্রেমীদের মূল আকর্ষণ। এই রুটের মাধ্যমে টেকসই পর্যটন গড়ে তুলে দুর্গম পাহাড়ি এলাকার মানুষদের অর্থনৈতিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

১৩. ওরেগন কোস্ট (যুক্তরাষ্ট্র): সবার জন্য উন্মুক্ত ও অ্যাক্সেসিবল সমুদ্র সৈকত

১৯৬৭ সালের একটি ঐতিহাসিক আইনের কারণে ওরেগনের পুরো ৩৭০ মাইল দীর্ঘ উপকূল সাধারণ মানুষের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। ২০২৬ সালে এই দুর্গম সৈকতকে সবার উপযোগী করতে বালিতে চলাচলের উপযোগী হুইলচেয়ার এবং বিশেষ শাটল বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। ইভি (EV) চার্জিং নেটওয়ার্কের উন্নতির ফলে পরিবেশবান্ধব রোড ট্রিপের জন্য এটি সেরা স্থান।

১৪. ফিলাডেলফিয়া (যুক্তরাষ্ট্র): আমেরিকার ২৫০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও ক্রীড়া উৎসব

১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ফিলাডেলফিয়াতেই জন্ম নিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৬ সালে দেশটির ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে বছরজুড়ে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক উৎসব ’52 Weeks of Firsts’ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ (FIFA World Cup), এমএলবি অল-স্টার গেম এবং পিজিএ চ্যাম্পিয়নশিপের মতো মেগা স্পোর্টস ইভেন্টগুলোর আয়োজন করা হবে এই শহরেই।

১৫. পনম পেন (কম্বোডিয়া): টেকসই নগর পর্যটন ও নতুন বিমানবন্দর

২০২৬ সালে চালু হতে যাচ্ছে কম্বোডিয়ার ইতিহাসের বৃহত্তম অবকাঠামো প্রকল্প ‘তেচো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’। তবে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থা নয়, পনম পেন এখন পরিবেশবান্ধব পর্যটনের শহর। এখানে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক টুকটুক সেবা, খেমার স্ট্রিট ফুড ও স্থানীয় কারুশিল্পের জন্য উইকএন্ড ফেস্টিভ্যাল এবং তরুণ প্রজন্মের গড়ে তোলা পরিবেশবান্ধব ক্যাফে ও বুটিক শপ পর্যটকদের আকর্ষণ করছে। (তবে থাইল্যান্ড সীমান্তবর্তী এলাকার দ্বন্দ্বের কারণে ভ্রমণের আগে বর্তমান ট্রাভেল অ্যাডভাইজরি দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে)

১৬. গিমারায়েস (পর্তুগাল): ইউরোপের গ্রিন ক্যাпиটাল ২০২৬

পর্তুগালের দ্বাদশ শতাব্দীর প্রাচীন এই রাজধানীটি ২০২৬ সালের জন্য ইউরোপের ‘গ্রিন ক্যাпиটাল’ বা সবুজ রাজধানী নির্বাচিত হয়েছে। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শহরটির প্রাচীন পাথুরে রাস্তা ও ঐতিহ্যবাহী ভবনগুলোকে পরিবেশবান্ধব রূপ দেওয়া হয়েছে এবং পুরো প্রজেক্টকে যুক্ত করা হয়েছে ইলেকট্রিক বাসের মাধ্যমে।

১৭. কুইন্সটাউন (নিউজিল্যান্ড): অ্যাডভেঞ্চার ও নতুন ইকো-ট্রেইল

রোমাঞ্চকর খেলাধুলা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিশ্বখ্যাত এই শহরটি ২০২৬ সালে সম্পূর্ণ কার্বন-নিউট্রাল পর্যটন গন্তব্য হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এখানে নতুন ইকো-বাইকিং ও হাইকিং ট্রেইল চালু করা হয়েছে যা পর্যটকদের পরিবেশের ক্ষতি না করে প্রকৃতি উপভোগের সুযোগ দেয়।

১৮. ওক্সাকা (মেক্সিকো): রন্ধনশিল্প ও আদিবাসী সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ

বিশ্বের খাদ্য রসিকদের জন্য ওক্সাকা সবসময়ই অন্যতম আকর্ষণ। ২০২৬ সালে এই অঞ্চলের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রান্নার পদ্ধতিকে বাঁচিয়ে রাখতে নারীদের দ্বারা পরিচালিত বিশেষ ফুড ট্যুর এবং টেকসই কৃষিভিত্তিক পর্যটন প্রকল্প চালু করা হয়েছে।

১৯. লাক্ষাদ্বীপ (ভারত): ভারতের নতুন পরিবেশবান্ধব সমুদ্র সৈকত

মালদ্বীপের বিকল্প হিসেবে বর্তমানে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠা লাক্ষাদ্বীপে ২০২৬ সালে পর্যটকদের জন্য পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে সীমিত পরিসরে ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এর স্বচ্ছ নীল জল আর প্রবাল প্রাচীর রক্ষা করে ক্রুজ পর্যটনকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।

২০. ট্রনহেইম (নরওয়ে): নর্ডিক গ্যাস্ট্রোনমি ও টেকসই জীবনধারা

নরওয়ের এই ঐতিহাসিক শহরটি ২০২৬ সালে তার পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিশ্বমানের খাবারের (Nordic Cuisine) জন্য পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষ ২০-এ জায়গা করে নিয়েছে।

About the author

নিজস্ব প্রতিবেদক

Leave a Comment

Prove your humanity: 9   +   8   =