নায়কদের মধ্যে নব্বই দশকের প্রথম ক্রেজ ছিল নাঈম। আশির দশকের শেষ পর্যন্ত দর্শক যখন এক ধরনের ছবি দেখতে দেখতে বোর হয়েছিল ঠিক তখনই নব্বই দশকের শুরুতে ‘চাঁদনী’ ছবির মাধ্যমে নাঈমের আগমন ঘটে। তখনকার তরুণ প্রজন্ম বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মধ্যে নাঈম রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে যায়। দারুণ ক্রেজ ছিল তার। পরিচালক এহতেশাম যিনি ঢালিউডে তারকা জন্মের কারিগর ছিলেন তিনিই নাঈমকে তরুণ প্রজন্মের সামনে আনেন।
নাঈমের ক্যারিয়ার খুবই স্বল্প সময়ের ছিল। মাত্র ১৬টি ছবিতে কাজ করেছিল আর একটি ছবিতে ন্যারেটর ছিল।
ছবিগুলো : চাঁদনী, দিল, অনুতপ্ত, জিদ, সাক্ষাত, টাকার অহংকার, লাভ, ফুল আর কাঁটা, আগুন জ্বলে, বিষের বাঁশি, চোখে চোখে, ঘরে ঘরে যুদ্ধ, সোনিয়া, লড়াই, সুখের আশায়, মেয়েরাও মাস্তান। ন্যারেটর – নীল আঁচল।
নাঈমের সবচেয়ে জনপ্রিয় ছবি অবশ্যই ‘চাঁদনী।’ রোমান্টিক ও ফ্যামিলি ড্রামা বেশি করেছে। শাবনাজের বিপরীতে তার দারুণ রসায়নে রোমান্টিক ছবি বেশি হয়েছে তবে ছবিগুলোতে তাদের রোমান্টিকতার পাশাপাশি পারিবারিক গল্পের প্রাধান্য ছিল। এ জুটির ছবির সংখ্যা ১৩টি। এর মধ্যে বেশিরভাগ ছবিই সুপারহিট ছিল। তরুণ প্রজন্মের আকর্ষণ বেশি ছিল এ জুটির প্রতি তাই ছবি সফল হত। শাবনাজের সাথে ১৯৯৪ সালে নাঈমের বিয়ে হয়।
নাঈমের জনপ্রিয় গান :
ও আমার জান তোর বাঁশি যেন জাদু জানে রে – চাঁদনী
কতদিন পরে দেখা হলো দুজনাতে – চাঁদনী
বন্ধুর বাঁশি বাজে রে- চাঁদনী
আমি যে পাহাড়ি বালিকা – চাঁদনী
এলোমেলো বাতাসে উড়িয়েছি শাড়ির আঁচল – আগুন জ্বলে
তুমি এসেছিলে পরশু – অনুতপ্ত
তোমার নাম লিখে দাও – অনুতপ্ত
ওগো মা তুমি শুধু মা – দিল
চোখেতে চোখ রেখে দিলকে চিনে নাও – দিল
তোমায় আপন করে রাখব বলে – দিল
চোখে চোখে চোখ রেখে – চোখে চোখে
বড় মিষ্টি লাগে – চোখে চোখে
আমি আজ তোমাকে ভাবছি – জিদ

