মরদেহের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিরোধ, অবশেষে দাফন হলো সেই ব্যক্তির

<বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় কাজী সোহাগ নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে তার মরদেহ দাফন না দাহ করা হবে তার সমাধান দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। মৃতের ৯ বছর বয়সী ছেলে আব্দুর রহমানের দাবির প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তির মরদেহ দাফন করা হয়েছে। gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর তার মরদেহ মোল্লাহাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মৃতের ছেলে আব্দুর রহমানের কাছে মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমনা আইরিন জানতে চান, ‘তুমি কি চাও? তখন আব্দুর রহমান বলেন, আমি চাই আমার বাবাকে দাফন করা হোক। ছোট এই শিশুর দাবির পর প্রশাসন সোহাগের মরদেহটি ছেলের কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করে। এর আগে ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে সোহাগের মরদেহ দাফন না দাহ করা হবে এনিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মরদেহ হেফাজতে নেয়। পুলিশ জানায়, ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে জটিলতায় পড়া ব্যক্তির নাম সুব্রত পোদ্দার কানু (৪৩)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার তেঘরিয়া গ্রামের শুকলাল পোদ্দার ও রিতা রানী পোদ্দারের ছেলে। প্রায় ২১ বছর আগে এফিডেভিটের মাধ্যমে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। নিজের নাম পরিবর্তন করে কাজী সোহাগ নাম রাখেন। পরবর্তীতে তিনি গোপালগঞ্জের মাঠলা তেতুলিয়া এলাকায় মমতাজ মিম নামের এক নারীকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে আব্দুর রহমান (৯) নামে একটি ছেলে রয়েছে। মৃত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিরোধ, মরদেহ নিয়ে ‍উত্তেজনামৃত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিরোধ, মরদেহ নিয়ে ‍উত্তেজনা গত বুধবার সন্ধ্যায় মোল্লাহাট উপজেলার দত্তডাঙ্গা রাইরসরাজ সেবাশ্রমে অবস্থানকালে কাজী সোহাগের মৃত্যু হয়। তার মা রিতা রানী পোদ্দার সেখানে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। সোহাগের মৃত্যুর পর স্ত্রী ও সন্তানদের না জানিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মোল্লাহাটের উত্তরআমবাড়ি কালী মন্দির সংলগ্ন শ্মশানে হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে দাহ করার জন্য মরদেহ নেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মৃতের স্ত্রী মমতাজ মিম ও মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলে আব্দুর রহমান প্রতিবাদ জানান। তারা মুসলিম ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী কবরস্থানে দাফনের দাবি করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ-প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মৃতের মা রিতা রানী পোদ্দার দাবি করেন, তার ছেলে পূর্বে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন এবং সেই বিবেচনায় দাহ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে তিনি ছেলের পুনরায় হিন্দু ধর্মে ফিরে আসার কোনো দালিলিক প্রমাণ দেখাতে পারেননি। মোল্লাহাট থানার ওসি কাজী রমজানুল হক বলেন, মৃতের শিশু ছেলের দাবির পর প্রশাসন সোহাগের মরদেহটি ছেলের কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। div id="unibots-video">

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় কাজী সোহাগ নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে তার মরদেহ দাফন না দাহ করা হবে তার সমাধান দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। মৃতের ৯ বছর বয়সী ছেলে আব্দুর রহমানের দাবির প্রেক্ষিতে সেই ব্যক্তির মরদেহ দাফন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর তার মরদেহ মোল্লাহাট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।  সেখানে মৃতের ছেলে আব্দুর রহমানের কাছে মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমনা আইরিন জানতে চান, ‘তুমি কি চাও?

তখন আব্দুর রহমান বলেন, আমি চাই আমার বাবাকে দাফন করা হোক। ছোট এই শিশুর দাবির পর প্রশাসন সোহাগের মরদেহটি ছেলের কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করে।

এর আগে ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে সোহাগের মরদেহ দাফন না দাহ করা হবে এনিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মরদেহ হেফাজতে নেয়।

পুলিশ জানায়, ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে জটিলতায় পড়া ব্যক্তির নাম সুব্রত পোদ্দার কানু (৪৩)। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার তেঘরিয়া গ্রামের শুকলাল পোদ্দার ও রিতা রানী পোদ্দারের ছেলে। প্রায় ২১ বছর আগে এফিডেভিটের মাধ্যমে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। নিজের নাম পরিবর্তন করে কাজী সোহাগ নাম রাখেন। পরবর্তীতে তিনি গোপালগঞ্জের মাঠলা তেতুলিয়া এলাকায় মমতাজ মিম নামের এক নারীকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে আব্দুর রহমান (৯) নামে একটি ছেলে রয়েছে।

গত বুধবার সন্ধ্যায় মোল্লাহাট উপজেলার দত্তডাঙ্গা রাইরসরাজ সেবাশ্রমে অবস্থানকালে কাজী সোহাগের মৃত্যু হয়। তার মা রিতা রানী পোদ্দার সেখানে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। সোহাগের মৃত্যুর পর স্ত্রী ও সন্তানদের না জানিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে মোল্লাহাটের উত্তরআমবাড়ি কালী মন্দির সংলগ্ন শ্মশানে হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে দাহ করার জন্য মরদেহ নেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মৃতের স্ত্রী মমতাজ মিম ও মাদ্রাসা পড়ুয়া ছেলে আব্দুর রহমান প্রতিবাদ জানান। তারা মুসলিম ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী কবরস্থানে দাফনের দাবি করেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ-প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

মৃতের মা রিতা রানী পোদ্দার দাবি করেন, তার ছেলে পূর্বে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন এবং সেই বিবেচনায় দাহ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে তিনি ছেলের পুনরায় হিন্দু ধর্মে ফিরে আসার কোনো দালিলিক প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

মোল্লাহাট থানার ওসি কাজী রমজানুল হক বলেন, মৃতের শিশু ছেলের দাবির পর প্রশাসন সোহাগের মরদেহটি ছেলের কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

About the author

নিজস্ব প্রতিবেদক

Leave a Comment

Prove your humanity: 7   +   1   =