ভোলা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক নারী রোগীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে হাসপাতালের তিন তলার একটি নির্জন কক্ষে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত আরিফকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে উপস্থিত জনতা। অভিযুক্ত আরিফ স্থানীয় অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্টাফ হিসেবে কর্মরত।
ভুক্তভোগী নারী জানান, সকালে তিনি হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন। এ সময় অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের স্টাফ আরিফ তাকে নানা প্রলোভন ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা বলে ভুল বুঝিয়ে হাসপাতালের তিন তলার একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়ে ভুক্তভোগীর হাত, পা ও মুখ চেপে ধরে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়।
ধর্ষণের শিকার ওই নারী কক্ষ থেকে দৌড়ে নিচে নেমে আসেন এবং আর্তচিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকার শুনে সাধারণ মানুষ ও হাসপাতালের কর্মীরা দ্রুত তিন তলার ওই রুমে গিয়ে আলামতসহ অভিযুক্ত আরিফকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত আরিফ তার অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। তবে দায় এড়াতে সে দাবি করেছে, ওই মুহূর্তে তার “মাথা ঠিক ছিল না”।
উল্লেখ্য যে, এর আগেও ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর স্বজনকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল এক অ্যাম্বুলেন্স চালকের বিরুদ্ধে। হাসপাতালের মতো নিরাপদ স্থানে বারবার এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনায় সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও নিরাপত্তার অভাব দেখা দিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


