বিশেষ প্রতিবেদন | সোহেল হাওলাদার | ডেইলি পূর্বাচল
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তন এলেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর অভ্যন্তরে শেখ পরিবারের প্রভাব এখনো অটুট রয়েছে বলে জানা গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে যাওয়ার পর দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বার্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে এখনো তার নেতৃত্বই কার্যকর রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়।
আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র বলছে, সাংগঠনিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ থাকলেও দল ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা নানাভাবে সক্রিয় থাকার চেষ্টা করছেন। দেশের ভেতরে ও বাইরে অবস্থানরত নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হচ্ছে।
দিল্লিতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা নিয়মিত বিবৃতি ও অডিও বার্তার মাধ্যমে দলের অবস্থান তুলে ধরছেন এবং অনলাইনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখছেন বলেও জানা গেছে।
তবে এখনো পর্যন্ত তাকে প্রকাশ্যে কোথাও দেখা যায়নি এবং ভিডিও বার্তার মাধ্যমেও উপস্থিত হতে দেখা যায়নি, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও নেতৃত্ব কাঠামো নিয়ে সামনে আরও স্পষ্টতা আসতে পারে।
— ডেইলি পূর্বাচল


