দৈনিক পূর্বাচল ডেস্ক,
কৃষিখাতে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জৈব সার ব্যবহারের ওপর জোর দিচ্ছেন সচেতন মহল ও কৃষি বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, “আন্দোলন একটাই, যুদ্ধ একটাই—প্রতিটি কৃষকের বাড়িতে জৈব সারের কারখানা গড়ে তুলতে হবে।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাসায়নিক সার ও কিটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার মাটির উর্বরতা কমিয়ে দিচ্ছে এবং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে কৃষি উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
এ অবস্থায় কৃষকদের প্রাকৃতিক ও জৈব সার ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে। জৈব সার ব্যবহার করলে মাটির গুণাগুণ বজায় থাকে, ফসল হয় নিরাপদ এবং পরিবেশ থাকে দূষণমুক্ত। পাশাপাশি এটি উৎপাদন খরচও কমাতে সাহায্য করে।
অন্যদিকে, প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে রাসায়নিক সার আমদানি করা হয়। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই অর্থ সাশ্রয় করে দেশের শিক্ষা ও অন্যান্য উন্নয়ন খাতে বিনিয়োগ করা গেলে তা জাতির জন্য আরও কল্যাণকর হবে।
কৃষি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন সময় এসেছে সচেতন হওয়ার—নিজের স্বাস্থ্য, নিজের জীবন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে জৈব সার ব্যবহারে এগিয়ে আসতে হবে। এতে গড়ে উঠবে একটি স্বাস্থ্যবান ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।


