দৈনিক পূর্বাচল
তারিখ: নভেম্বর ২, ২০২৬
দেশীয় তৈরি পোশাক শিল্প ধ্বংস করতে মাঠে নেমেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ও ফ্যাসিবাদের দোসররা। গার্মেন্টস শ্রমিকদের উসকে দিয়ে অগ্নিসংযোগ ও নাশকতার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের চিত্র।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক (RMG) খাতকে ধ্বংস করতে সুগভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। সাধারণ গার্মেন্টস শ্রমিকদের যৌক্তিক বা অযৌক্তিক দাবিকে পুঁজি করে রাজপথে নামিয়ে আনা হয়েছে, যার ফলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের জীবনে চরম নাভিশ্বাস উঠেছে, অন্যদিকে হুমকির মুখে পড়েছে দেশের অর্থনীতি।
দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক (RMG) খাতকে ধ্বংস করতে সুগভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। সাধারণ গার্মেন্টস শ্রমিকদের যৌক্তিক বা অযৌক্তিক দাবিকে পুঁজি করে রাজপথে নামিয়ে আনা হয়েছে, যার ফলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের জীবনে চরম নাভিশ্বাস উঠেছে, অন্যদিকে হুমকির মুখে পড়েছে দেশের অর্থনীতি।
সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা ও রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, সদ্য ক্ষমতাচ্যুত এবং দেশের মাটিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের একটি বড় অংশ এই অস্থিরতার পেছনে প্রত্যক্ষ ইন্ধন জোগাচ্ছে। মাঠপর্যায়ের নিরীহ গার্মেন্টস শ্রমিকদের ভুল বুঝিয়ে ও অর্থ দিয়ে ব্যবহার করে বিভিন্ন কারখানায় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও নাশকতার ছক আঁকা হচ্ছে, যার মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করা এবং সফল এই রফতানি খাতকে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়া।
রাজপথে চরম ভোগান্তি, অচল ঢাকা ও আশপাশের হাইওয়ে
গত কয়েকদিন ধরে ঢাকার মিরপুর-১০, উত্তরা, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুর এলাকায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে একদল আন্দোলনকারী। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধের ফলে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে মাইলের পর মাইল হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। বিশেষ করে চাকরিজীবী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং জরুরি চিকিৎসাপ্রার্থী রোগীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। জনগণের এই চরম ভোগান্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টা দৃশ্যমান।
গত কয়েকদিন ধরে ঢাকার মিরপুর-১০, উত্তরা, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুর এলাকায় বেতন বৃদ্ধির দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে একদল আন্দোলনকারী। সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধের ফলে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে মাইলের পর মাইল হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। বিশেষ করে চাকরিজীবী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং জরুরি চিকিৎসাপ্রার্থী রোগীরা পড়েছেন চরম বিপাকে। জনগণের এই চরম ভোগান্তিকে কাজে লাগিয়ে একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির অপচেষ্টা দৃশ্যমান।
শ্রমিকদের ঢাল বানিয়ে নাশকতা ও অগ্নিসংযোগ
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আন্দোলনরতদের মধ্যে একটি বড় অংশই প্রকৃত গার্মেন্টস কর্মী নন, বরং তারা বহিরাগত টোকাই ও রাজনৈতিক ক্যাডার। গাজীপুর ও আশুলিয়ার বিভিন্ন কারখানায় ইতিমধ্যেই গাড়ি ও ভবনে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, সাধারণ শ্রমিকরা সাধারণত নিজেদের কর্মস্থলে আগুন দিতে চায় না। কিন্তু ফ্যাসিবাদের দোসররা শ্রমিকদের পোশাক পরে ভেতরে ঢুকে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটাচ্ছে, যাতে করে মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে একটি চিরস্থায়ী যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয় এবং বিদেশি বায়াররা বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আন্দোলনরতদের মধ্যে একটি বড় অংশই প্রকৃত গার্মেন্টস কর্মী নন, বরং তারা বহিরাগত টোকাই ও রাজনৈতিক ক্যাডার। গাজীপুর ও আশুলিয়ার বিভিন্ন কারখানায় ইতিমধ্যেই গাড়ি ও ভবনে অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটেছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, সাধারণ শ্রমিকরা সাধারণত নিজেদের কর্মস্থলে আগুন দিতে চায় না। কিন্তু ফ্যাসিবাদের দোসররা শ্রমিকদের পোশাক পরে ভেতরে ঢুকে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটাচ্ছে, যাতে করে মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে একটি চিরস্থায়ী যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয় এবং বিদেশি বায়াররা বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
সরকারের জরুরি পদক্ষেপ ও রাজনৈতিক দলগুলোর হুঁশিয়ারি
এই উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইতিমধ্যে সরকার জরুরি মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রীদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, “শ্রমিকদের সব যৌক্তিক দাবি সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে, কিন্তু আন্দোলনের নামে যদি কেউ জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করতে চায়, তবে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।”
এই উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইতিমধ্যে সরকার জরুরি মজুরি বোর্ড গঠন করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রীদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, “শ্রমিকদের সব যৌক্তিক দাবি সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে, কিন্তু আন্দোলনের নামে যদি কেউ জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করতে চায়, তবে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।”
একই সাথে দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারাও সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তারা বলছেন, ফ্যাসিবাদের প্রেতাত্মারা এবং আওয়ামী লীগের লোকজন ওপার থেকে ও দেশের ভেতর থেকে ইন্ধন দিয়ে এই সংকট তৈরি করছে। তারা শ্রমিকদের শান্ত থাকার এবং এই দেশবিরোধী চক্রান্তের অংশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
শিল্প বাঁচাতে কঠোর অবস্থানের দাবি
দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ ও অর্থনীতিবিদদের মতে, তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। যদি এই ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া না যায়, তবে লাখ লাখ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়বেন। সাধারণ মানুষ অনতিবিলম্বে রাজপথ সচল করার এবং নাশকতাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।
দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ ও অর্থনীতিবিদদের মতে, তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। যদি এই ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া না যায়, তবে লাখ লাখ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়বেন। সাধারণ মানুষ অনতিবিলম্বে রাজপথ সচল করার এবং নাশকতাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।


