নিজস্ব প্রতিবেদক, দৈনিক পূর্বাচল
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মহাসড়কে দাঁড়িয়ে থাকা বাসের যাত্রীদের দ্রুতগতির লরি চাপা দিলে শিশুসহ ৫ জন নিহত ও ৬ জন আহত হন। বিস্তারিত পড়ুন দৈনিক পূর্বাচলে।
চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যাত্রাবিরতিকালে দ্রুতগতির একটি লরির চাপায় এক শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ছয়জন যাত্রী।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে মহাসড়কের বড় কুমিরা এলাকার কিং অব কুমিরা কনভেনশন হলের দক্ষিণ পাশে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে নেত্রকোনার ছয় বছর বয়সী শিশু ইব্রাহিম এবং স্বপ্না নামের এক নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি তিনজনের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা নেত্রকোনাকেন্দ্রিক একটি যাত্রীবাহী বাস মহাসড়ক ধরে গন্তব্যের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে গাড়িটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে চালক বড় কুমিরা এলাকায় বাসটি থামান। এ সময় বাসের বেশ কয়েকজন যাত্রী গাড়ি থেকে নেমে মহাসড়কের পাশে অবস্থান করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তে পেছন থেকে আসা একটি বেপরোয়া গতির লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের সজোরে চাপা দেয়।
দুর্ঘটনার তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় অন্য যাত্রীদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। আহত বাকি ছয়জনকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে; তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ার ফাইটার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঢাকামুখী একটি যাত্রীবাহী বাস মহাসড়কের পাশে দাঁড়ানো ছিল এবং মেরামতের কাজ চলছিলো। এ সময় পাশে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের ওপর লরি উঠে গেলে ঘটনাস্থলেই হতাহতের এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করেছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


