ক্রীড়া প্রতিবেদক | দৈনিক পূর্বাচল
প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর, ২০২৬
ইএফএল কাপে আর্সেনালকে টাইব্রেকারে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্লিটউড টাউন। রূপকথার এই জয় নিয়ে পড়ুন দৈনিক পূর্বাচলের বিস্তারিত ক্রীড়া প্রতিবেদন।
ইংলিশ ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী ও প্রভাবশালী ক্লাব আর্সেনালকে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় করে ক্লাব ইতিহাসের পাতায় এক স্মরণীয় অধ্যায় রচনা করেছে ফ্লিটউড টাউন। ইএফএল কাপে (EFL Cup) ইংলিশ ফুটবলের চতুর্থ স্তরের (লিগ টু) দলটি শক্তিশালী আর্সেনালকে স্তব্ধ করে টুর্নামেন্টের শেষ আট তথা কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে।
মঙ্গলবারে (২৭ অক্টোবর) হাইবারি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত রোমাঞ্চকর ম্যাচে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের লড়াই ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকার পর টাইব্রেকারে ৫-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় রূপকথার জন্ম দেওয়া ফ্লিটউড।
ম্যাচের রোমাঞ্চকর বিবরণ ও অঘটন
ম্যাচের শুরু থেকেই মিকেল আরতেতার আর্সেনালকে অপ্রত্যাশিত কৌশলগত চাপে ফেলে স্বাগতিক ফ্লিটউড। খেলার ২১ মিনিটেই অ্যারন লুপালো-বির দুর্দান্ত এক গোলে এগিয়ে যায় লিগ টুর ক্লাবটি (১-০)। পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালায় গানাররা। দ্বিতীয়ার্ধে দলের গোলমেশিন ভিক্টর ইয়োকেরেস গোল করে আর্সেনালকে সমতায় ফেরান (১-1)। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলেও ফ্লিটউডের রক্ষণদেওয়াল ভেদ করে আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি ইংলিশ জায়ান্টরা।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আরও বড় বিপদে পড়ে আর্সেনাল। ৮৬ মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তরুণ মিডফিল্ডার ম্যাক্স ডাউম্যান। ফলে নির্ধারিত সময়ের শেষ ক মিনিট ১০ জনের দলে পরিণত হয় গানাররা। নির্ধারিত সময়ের ঠিক আগে বেন হোয়াইট ও অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ডের দুটি নিশ্চিত শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন ফ্লিটউড গোলরক্ষক জে লিঞ্চ।
টাইব্রেকারের নাটকীয়তা ও লিঞ্চের বীরত্ব
নির্ধারিত সময়ে ১-১ সমতা থাকার পর ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় পেনাল্টি শ্যুটআউটে। সেখানেও ফ্লিটউডের জয়ের নায়ক গোলরক্ষক জে লিঞ্চ। আর্সেনালের মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেসের একটি গুরুত্বপূর্ণ পেনাল্টি শ্যুট ঠেকিয়ে দলের জয়ের পথ প্রশস্ত করেন তিনি। পরবর্তীতে কনর হগির নিখুঁত ও সফল স্পট কিকে ইংলিশ ফুটবলের অন্যতম বড় অঘটনের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত হয় ফ্লিটউড টাউনের।
প্রতিবেদন: সোহেল হাওলাদার
নির্বাহী সম্পাদক, দৈনিক পূর্বাচল


