সান মারিনোর সেরাভেলে স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের ফুটবলে রচিত হল নতুন এক ইতিহাস। সেই ইতিহাসের মহানায়ক তপু বর্মণ। তার জোড়া গোলেই স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ইউরোপের মাটিতে প্রথম জয়ের রূপকথার জন্ম দিল বাংলাদেশ। নতুন কোচ থমাস ডুলির অধীনে শুরুটাও হলে জয় দিয়ে।
হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশি গ্যালারিতে এসেছিলেন বাংলাদেশের হয়ে গলা ফাটাতে। তাদের হতাশ করেননি হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়ারা। ২০০১ সালে সাহারা কাপে যুগোস্লাভিয়া এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ খেলে হেরেছিল বাংলাদেশ। শুক্রবার তারা প্রথমবার হারাল ইউরোপের কোনো দেশকে।
র্যাংকিংয়ে সবচেয়ে তলানির দল সান মারিনো (২১১)। তাদের চেয়ে ৩০ ধাপ এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ (১৮১)। এই ব্যবধানটা ছিল খেলাতেও।
১৯ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে শেখ মোরসালিনের বাড়ানো লম্বা ক্রসে দারুণ হেডে বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন তপু বর্মণ। ৩১ মিনিটে ২৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড ফিলিপ্পো বেরার্ডির পাস থেকে সমতা ফেরান নিকোলাস জিয়াকোপেটি।
৬০ মিনিটে বিশ্বনাথ ঘোষ ও ফাহামিদুল ইসলাম এবং ৭৫ মিনিটে কাজেম শাহকে নামান ডুলি। তাতে বাংলাদেশের আক্রমণের ধার বাড়ে। ৮৬ মিনিটে হামজার নেওয়া ফ্রি-কিক থেকে গোলমুখে শট নেন বিশ্বনাথ ঘোষ। সেই শটে করা হেডে বল জালে পাঠান তপু। তাতেই তৈরি হয় নতুন ইতিহাস।

