দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম মাস পার করেছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার। এই সময়ে নির্বাচনের অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নে সর্বান্তে চেষ্টা চালানো হয়েছে। প্রথম দিন থেকেই ব্যতিক্রমী সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিন-রাত একাকার করে তিনি ছুটছেন। ছুটির দিনেও অফিস করছেন। প্রশাসন সরকারি দপ্তরগুলোকে দ্রুত কার্যকর ও গতিশীল করার চেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। ব্যক্তিগতভাবে এমন সব উদ্যোগ নিয়েছেন যাতে খুশি সাধারণ মানুষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তিনি সফল হবেন এমন আশাবাদও তৈরি হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর এক মাসের কর্মকাণ্ড থেকে। যদিও সরকারের সাফল্যের প্রচার প্রচারণা তেমন দেখা যায়নি।
সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঘোষিত ইশতেহারের প্রধান ৯টি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নজর দিচ্ছে সরকার। ইতিমধ্যে নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতে ফ্যামিলি কার্ড চালু, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী এবং খালখনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে দেশের ৫৪টি জেলায় একযোগে খালখনন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। নতুন সরকার গঠনের ১০ দিনের মাথায় কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করে দেয়া হয়েছে। কৃষকদের জন্য ফার্মাস কার্ড পহেলা বৈশাখে দেয়া শুরু করবে সরকার।
এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভূমিধস জয় পায় বিএনপি। এরপরে ১৭ই মার্চ দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে। সরকার গঠনের পরদিন থেকেই অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারও প্রধানমন্ত্রী অফিস করছেন। কর্মকর্তাদের সকাল ৯টার মধ্যে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করেছেন তিনি। ভিভিআইপি প্রটোকল হ্রাস, প্রধানমন্ত্রীর অতি সাধারণ চলাফেরায় ট্রাফিক ব্যবস্থায় নজিরবিহীন পরিবর্তন, জনগণও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উৎসাহিত হচ্ছে। এছাড়া রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিতকরণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়, সরকারি অফিসে অর্ধেক ফ্যান ও এসি অপচয় রোধ এবং ইফতার সীমিত।


