অনলাইন ডেস্ক | দৈনিক পূর্বাচল
১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে সাবেক স্ত্রী সাথী খাতুনসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন হিরো আলম। ঘটনা তদন্তে পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিস্তারিত পড়ুন দৈনিক পূর্বাচলে।
সাবেক স্ত্রী মোছা. সাথী খাতুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, ব্ল্যাকমেইল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম।
সোমবার (২০২৪) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি এ মামলার আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অপর দুই আসামি হলেন— হিরো আলমের সাবেক কাজের সহযোগী আহসান হাবিব সেলিম এবং মো. মহিদুল ইসলাম।
ঘটনার বিবরণ ও মামলার অভিযোগ
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শুরুতে কাজের সুযোগ চেয়ে হিরো আলমের কাছে আসেন সাথী খাতুন। পরবর্তীতে বেশ কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতে কাজ করার পর ঢাকার রামপুরার অফিসে গিয়ে তিনি হিরো আলমকে বিয়ে করার জন্য চাপ ও ব্ল্যাকমেইল শুরু করেন। সে সময় সাথী তার আগের বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় গত ৪ এপ্রিল সাথীকে বিয়ে করেন হিরো আলম।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিয়ের পর কাজের সহযোগী সেলিমের সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন সাথী। বিভিন্ন সময় শাড়ি ও কেনাকাটার অজুহাতে ৩ লাখ টাকা দাবি করলে তা পরিশোধ করেন হিরো আলম। পরবর্তীতে গত ২২ আগস্ট হিরো আলম ওমরাহ পালনে সৌদি আরবে অবস্থানকালে আসামিরা ফোন করে আরও ২ লাখ টাকা দাবি করেন। দেশে ফেরার পর তিনি দেখতে পান যে, অপর দুই আসামি সেলিম ও মহিদুলের সাথে সাথীর অনৈতিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। গত ১৭ আগস্ট তাদের ৫ লাখ টাকা দেওয়া হলে সেই টাকা ব্যাংকে জমার বিষয়টি সাথী পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্বীকারও করেন।
তালাক ও চাঁদা দাবি
ধারাবাহিক এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সাথীকে আনুষ্ঠানিকভাবে তালাক দেন হিরো আলম। তালাকের পর থেকে তিন আসামি একজোট হয়ে হিরো আলমের কাছে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করতে থাকেন। চাঁদা না দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হিরো আলম ও তার পরিবারকে গালিগালাজ এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
এর আগে এসব হুমকির ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে গত ১৬ অক্টোবর রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন হিরো আলম।


