নির্বাচনে হেরে গেলেও মিয়া গোলাম পরওয়ার আবারও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পেয়েছেন। তাকে পদে বহাল রেখে শুক্রবার দলের নায়েবে আমির ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলদের মনোনয়ন দেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। মজলিসের শুরার পরামর্শে ২১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং ৮৮ সদস্যের কর্মপরিষদও গঠন করেন।
জামায়াত বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দলের আমিরের সভাপতিত্বে অনলাইনে হয়েছে মজলিসে শুরার সভা। নায়েবে আমির এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলরা সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
গত ২ নভেম্বর আমির পদে টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হন শফিকুর রহমান। সংসদ নির্বাচনের কারণে তিনি নতুন কমিটি গঠন স্থগিত রেখেছিলেন তিনি। জামায়াতের গণতন্ত্র অনুযায়ী, মজলিসে শুরার পরামর্শে দলের আমির অন্যান্য পদে মনোনয়ন নেন। ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নবমনোনীতরা দায়িত্বে থাকবেন।
আগের কমিটির নায়েবে আমির এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলদের সবাই নতুন কমিটিতেও রয়েছে। শুধুমাত্র দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম নির্বাহী পরিষদে নতুন দুই সদস্য যোগ হয়েছেন। তারা হলেন- ঢাকা দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করীম। নির্বাহী পরিষদে এবারও নারী নেই। তবে ৮৯ সদস্যের নতুন কর্মপরিষদে ২১ জন নারী জায়গা পেয়েছেন।
নায়েবে আমিরের দায়িত্ব পাওয়া চার নেতা হলেন- এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, মুজিবুর রহমান এমপি, ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এমপি এবং আ ন ম শামসুল ইসলাম। সাত সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হলেন- এটিএম মাছুম, রফিকুল ইসলাম খান এমপি, ড. হামিদুর রহমান আযাদ, আবদুল হালিম, মুয়াযযম হোসাইন হেলাল, মুহাম্মাদ শাহজাহান ও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
এই ১১ জন ছাড়াও নির্বাহী পরিষদের সদস্য হয়েছেন আবদুর রব, সাইফুল আলম খান মিলন এমপি অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দীন, অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি, মতিউর রহমান আকন্দ, মো. মোবারক হোসাইন, নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি এবং ড. মোহাম্মাদ রেজাউল করিম। আমির এবং সেক্রেটারি জেনারেলও নির্বাহী পরিষদের সদস্য।
জামায়াত ঢাকাসহ সারাদেশকে ১৪টি সাংগঠনিক অঞ্চলে ভাগ করেছে। নির্বাহী পরিষদ সদস্যদের এসব অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে।


