বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেছেন, ‘আমরা ছোটখাটো কোনো বিষয় হলে অবশ্যই ইগনোর করব (এড়িয়ে যাব), কিন্তু বড় কোনো বিষয় হলে আমরা ছাড় দেব না। আমাদের যা করা প্রয়োজন, তা-ই করব। কারণ, মানুষের ভোটের অধিকার হারিয়ে যায়, এটা আমরা কোনোভাবেই চাই না।’
রাজধানীর মিরপুর-২ নম্বর এলাকায় অবস্থিত মনিপুর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে (বালক শাখা) আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভোট দেওয়ার পর গণমাধ্যমকর্মীদের জামায়াত আমির এসব কথা বলেন। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পক্ষ থেকে ঢাকা-১৫ আসনের প্রার্থী তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘২০১৪ সাল, ’১৮ সাল, ’২৪ সালে জেলেই ছিলাম। তিনটি ভোট হারানোর পর আজকে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। এই ভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশে একটা নতুন অধ্যায়ের শুরু হোক, দোয়া করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, শুধু আমি না; দেশের যুবসমাজ যারা জীবনে একটা ভোটও দিতে পারে নাই, আজকের এই ভোটের জন্য তারা বড় অপেক্ষায় ছিল। এই ভোট শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু, সংঘাতমুক্ত ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হোক—সেটা আমরা দোয়া করি।’
মিডিয়া একই নিউজ ভিন্নভাবে পরিবেশন করে জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কেউ যদি অপরাধ করে থাকেন, সেটা আমি হলেও—আমি অপরাধের বিপক্ষে। কিন্তু অপরাধ নয়, সেটাকে আবার জোর করে অপরাধ বানানো—সেটা আরেকটা বড় অপরাধ।’
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা–১৫ আসনে মোট ১৩৭টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলছে। ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬, নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন।
এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ প্রার্থী। তাঁরা হলেন শফিকুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), শফিকুল ইসলাম খান (ধানের শীষ), সামসুল হক (লাঙ্গল), আহাম্মদ সাজেদুল হক (কাস্তে), খান শোয়েব আমান উল্লাহ (কলম), মোবারক হোসেন (একতারা), আশফাকুর রহমান (মোটরগাড়ি) ও নিলাভ পারভেজ (প্রজাপতি)।


