আর মাত্র কয়েকদিন পরেই শুরু হবে ফিফা বিশ্বকাপ। এরই মধ্যে দলগুলো বিশ্বকাপের ক্যাম্পিং শুরু করে দিয়েছে। ব্যতিক্রম নয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার ক্ষেত্রেও। তবে সবকিছু ছাপিয়ে এখন আলোচনায় আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি প্রসঙ্গ।
বিশ্বকাপের আগে মায়ামির হয়ে শেষ ম্যাচ খেলতে নেমে হ্যামস্ট্রিং নিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছিলেন এই তারকা। ফলে আসন্ন বিশ্বকাপে ফিটনেস অনুযায়ী তিনি ‘প্লেয়িং টাইম’ কেমন পাবেন তা নিয়েও নানা তত্ব ঘুরপাক খাচ্ছে। এছাড়া ৩৮ বছর বয়সী এই ফুটবলারের অবসর নিয়েও নানা গুঞ্জন আছে।
চলমান এসব গুঞ্জন আর সম্ভাবনার মধ্যেই এবার মেসির অবসর নিয়ে মুখ খুলেছেন আর্জেন্টাইন কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এখনই অবসরের কথা ভাবছেন না বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দিয়ারিও ওলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্কালোনি বলেন, ‘মেসি যতদিন চাইবেন ততদিন খেলবেন। আমরা জানি তিনি কী ধরনের খেলোয়াড়। তাই তার ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলা আমাকে মোটেও অবাক করে না।’
লিওনেল মেসি ইতোমধ্যে ক্লাব ও জাতীয় পর্যায়ে প্রায় সব বড় শিরোপা জিতেছেন। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে চ্যাম্পিয়ন করার মধ্য দিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য অর্জন করেন তিনি।
তবে স্কালোনির মতে, এত অর্জনের পরও মেসির মধ্যে জয়ের ক্ষুধা আগের মতোই অটুট। তার ভাষায়, মেসি সবসময় আরও ভালো করার চেষ্টা করেন এবং প্রতিটি ম্যাচেই নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণ করেন।
বিশ্বকাপের আগে মেসির ফিটনেস নিয়েও কথা বলেছেন স্কালোনি। হ্যামস্ট্রিং সমস্যার কারণে আর্জেন্টিনার প্রথম অনুশীলনে আলাদাভাবে কাজ করেছেন ইন্টার মায়ামির এই তারকা। তবে দলের আশা, ১৭ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচের আগেই পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবেন তিনি।
মেসির খেলার সময় ও শারীরিক অবস্থা ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে স্কালোনি জানান, এ ধরনের সিদ্ধান্ত কখনোই একতরফাভাবে নেওয়া হয় না। বরং মেসির সঙ্গে আলোচনা করেই সবকিছু নির্ধারণ করা হয়।
তিনি বলেন, ‘আমি সবসময় তার সঙ্গে কথা বলি এবং জানতে চাই সে কেমন অনুভব করছে। এরপর আমরা একসঙ্গে সিদ্ধান্ত নিই। তার মতো একজন খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রে এভাবেই হওয়া উচিত।’
স্কালোনির মতে, শতভাগ ফিট না থাকলেও মেসির উপস্থিতি দলের জন্য বড় শক্তি। কারণ মাঠে তার প্রভাব প্রতিপক্ষের পরিকল্পনাতেও বড় পরিবর্তন এনে দেয়।

