সোহেল হাওলাদার
নির্বাহী সম্পাদক, ডেইলি পূর্বাচল
(বিআইডিএস) ও -তে দলীয় প্রভাব ও নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, বিগত সরকারের সময় থেকে গড়ে ওঠা একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী এখনো এসব প্রতিষ্ঠানে সক্রিয় রয়েছে, যা প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
একাধিক সূত্র জানায়, দীর্ঘ সময় ধরে বিরোধী মতাদর্শের গবেষকদের নানা উপায়ে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছিল। অন্যদিকেআওয়ামিলীগ গারানার রাজনৈতিক আদর্শের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গবেষকরা বিভিন্ন প্রকল্পে অগ্রাধিকার পেয়েছেন এবং নীতিনির্ধারণী গবেষণায় প্রভাব বিস্তার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, কিছু ক্ষেত্রে প্রকল্পভিত্তিক নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি এবং দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি ভুয়া বা অতিরঞ্জিত বিলের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন সংশ্লিষ্টরা।
বগুড়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তার অধীনে অফিস ব্যবস্থাপক পর্যায়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় প্রভাব খাটানো হয়েছে। একই সঙ্গে কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কর্মস্থলে রাজনৈতিক পক্ষপাতমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, গবেষণা ও পরিসংখ্যানভিত্তিক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত জরুরি। অন্যথায় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ভুল তথ্য বা পক্ষপাতদুষ্ট বিশ্লেষণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এ প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্টরা সরকারি পর্যায়ে নজরদারি জোরদার এবং একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন।
ডেইলি পূর্বাচল বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী প্রতিবেদনে তা প্রকাশ করা হবে।


