যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাতিসংঘের পরমাণুবিষয়ক পর্যবেক্ষক সংস্থায় নিযুক্ত ইরানের দূত রেজা নাজাফি আজ সোমবার এ কথা বলেছেন।
আজ আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ৩৫ সদস্য দেশের বোর্ড অব গভর্নরস–এর বৈঠক হয়। ওই সময় সাংবাদিকদের নাজাফি বলেন, গতকাল তারা আবারও ইরানের শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত পারমাণবিক স্থাপনাগুলিতে হামলা করেছে।’
এ সময় রয়টার্সের পক্ষ থেকে জানতে চাওয়া হয়, কোন পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে হামলা হয়েছে। জবাবে তিনি বলেন, ‘নাতাঞ্জ’।
এদিকে কুয়েতে মার্কিন বিমানঘাঁটি আলী আল সালেম লক্ষ্য করে আজ সোমবার হামলা চালানোর কথা বলেছে ইরানের সেনাবাহিনী। একইসঙ্গে ভারত মহাসাগরে চলাচলকারী নৌযানে হামলা করার কথাও জানিয়েছে তারা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এসব হামলা চালানো হয়েছে।
ইরানের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘সেনাবাহিনীর স্থল ও নৌ ক্ষেপণাস্ত্র দলগুলো আলাদা আলাদা অবস্থান থেকে কুয়েতে মার্কিন বিমানঘাঁটি আলী আল সালেম এবং ভারত মহাসাগরের উত্তরে শত্রু জাহাজগুলোকে নিশানা করেছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামলায় ১৫টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
ইরানে গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় এ পর্যন্ত ৫৫৫ জন নিহত হয়েছে। আজ সোমবার ইরানিয়ান রেড ক্রিসেন্টের এক বিবৃতিতে নিহতের এ সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমাদের দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জায়নবাদী ও মার্কিনদের যৌথ সন্ত্রাসী হামলার কারণে এখন পর্যন্ত ১৩১টি শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুঃখজনকভাবে ৫৫৫ জন দেশবাসী নিহত হয়েছে।’
ইরান রেড ক্রিসেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।


