কয়েক দিন ধরে চাঁদপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দাসকে নিয়ে চলছিল নানা আলোচনা। গত ১৯ আগস্ট থেকে হঠাৎ তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। বন্ধ ছিল তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও। একই সময় স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ পরিবারের চার সদস্যের সঙ্গে স্বজনদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
একপর্যায়ে তাদের নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে সেই রহস্যের জট খুলতে শুরু করেছে। চট্টগ্রামের পটিয়া থেকে পিন্টু দাসকে আটক করেছে পুলিশ। তার পরিবারের সদস্যদেরও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আজ শুক্রবার ভোরে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের একটি দল চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
এসব তথ্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান।
তিনি জানান, স্বর্ণ বন্ধক রেখে টাকা দেওয়ার ব্যবসা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঋণের বোঝায় আর্থিক সংকটে পড়ে পিন্টু দাস সপরিবারে স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। তার সঙ্গে স্ত্রী রিমি, বড় ছেলে প্রিয়ম ও ছোট ছেলে রুপম দাসও আত্মগোপনে ছিলেন।
পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান জানান, পিন্টু দাস ও তার পরিবারের সদস্যরা নিখোঁজ হয়েছেন বলে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। তবে পুলিশের কাছে তথ্য ছিল, তারা স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে রয়েছেন। এরপর পুলিশ তাদের অবস্থান শনাক্তে অনুসন্ধান শুরু করে।
একপর্যায়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়, ঋণের চাপ ও আর্থিক সংকটের কারণে পিন্টু দাস সপরিবারে আত্মগোপনে রয়েছেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের পটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, পিন্টু দাসকে চাঁদপুরে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই কালামের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।


